ফের বেপরোয়া শহরের দালাল ও মাদক ব্যাবসায়ীরা , পত্রিকার সাইনবোর্ডে ” মাদক বিক্রেতার শেল্টার

0

ফের বেপরোয়া শহরের দালাল ও মাদক ব্যাবসায়ীরা , পত্রিকার সাইনবোর্ডে ” মাদক বিক্রেতার শেল্টার ”


পুলিশকেও ঘুষ গ্রহনের মিথ্যা খবর প্রকাশের হুমকি দিয়ে আসামী ছাড়াতে তদবির তাদের**

এ যেন মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ নয় বরং মাদক ব্যাবসায়ীদেরই নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল। সারা দেশে যখন বাংলাদেশ সরকার প্রধান “মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স” ঘোষণা দিলেন, তখন বরিশালের শহর গ্রাম চষে বেড়াচ্ছেন একদল নির্ভীক মাদক সৈনিক। মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে আত্মীয়তা করে দিচ্ছেন তাদের নির্ভয়ে অবৈধ ব্যাবসার সুযোগ। আবার সেই সৈন্যদের প্রধান এখন ও সদস্যরা বরিশালের ও দেশের অজানা ও অখ্যাত জাতীয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্তের দ্বায়িত্বে। এসব অসৎ ও দালালদের এখন মিশন একটাই, সৎ সাংবাদিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ও নারী ব্যাবসা পরিচালনা করা। যদিও সে স্বপ্নের আর বাস্তব প্রতিফলন হবে বলে দেখছি না।

যেহেতু তারা অবৈধ পদ্ধতিতে জেলা প্রশাসনের কোন নিয়ম নীতিমালার তোয়াক্কা না করেই পত্রিকার অস্থায়ী বেচাকেনার ব্যাবসা শুরু করেছে, সেহেতু অবৈধ পথেই তাদের এ ব্যাবসার পুঁজি মাঠ থেকে ওঠাতে হবে বলে জানিয়েছে এক সদস্য।
এদের মূল টার্গেট আবাসিক হোটেল ও মাদকব্যাবসায়ীরা। যারা মাসে লাখ টাকা বখরা দেবে ও অসৎ পুলিশদের ম্যানেজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে। এভাবে অবৈধ দেহ ব্যাবসার পাশাপাশি হোটেলে চলছে মাদকের হাট।
বরিশাল পোর্টরোডের অধিকাংশ হোটেলেই এ দু ধরনের ব্যাবসা চললেও সচরাচর সংবাদ প্রকাশ হয়না। কারন মূল হল “বিজ্ঞাপন বাণিজ্য”। একটি হোটেল বিজ্ঞাপন বাবদ পত্রিকা অফিসে দিচ্ছে ৫০০-২০০০ টাকা। অথচ এক রাতেই কিছু হোটেল কামাই করে নিচ্ছে লক্ষ টাকা। এদিকে থানার নামে কিছু এ,এস,আই মাঝখানে দালালদের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে মাসে লক্ষ টাকা। সূত্রমতে কোতোয়ালি থানার সৎ ও যোগ্য অফিসারদের নাম বিক্রি করে সবচেযে বেশী চাঁদার টাকা তোলা হয়।
এদের সাথে যোগসাজশে মিডিয়ার নামে টাকা তোলে ” কথিত সাংবাদিক” ও দালালরা।
জানা গেছে, গাজা ব্যাবসায়ীরা জেল হাজতে থাকলেও তাদের স্ত্রী ও মেয়েসহ মেয়েদের জামাতা ও স্বজনরাই চালাচ্ছে গাজা ও ইয়াবা বাণিজ্য। চলে অবৈধ সকল কাজ সাথে সাইনবোর্ড সাংবাদিকদের।
দিনদিন বেশ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চক্রটি। এমনকি পুলিশকে হুমকি দিয়েও আসামী ছাড়ানোর তদবিরে ব্যাস্ত তারা জানান কাউনিয়া থানা ও আমানতগঞ্জ ফাড়ির কিছু সৎ পুলিশ সদস্য।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তিনি দ্বায়িত্ব পালনকালে এক চুরি, চাঁদাবাজির অভিযুক্ত কথিত ফটো সাংবাদিক দালাল তাকে ফোন দিয়ে বলে ” আপনার বিরুদ্ধে দৈনিক অমুক পত্রিকাতে নিউজ আসবে, আপনি আমাদের সাথে মিলেমিশে কাজ করেন। মাদকব্যাবসায়ী ও ভূমি দস্যুরা যা খুশি করুক,আপনি চুপ থাকবেন।” এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তার পিছে লেগে গোপনে তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটায় সেই গ্রুপটি।
আসলে এরা সাংবাদিকতার “স” না বুঝলেও মোটরসাইকেল ও ক্যামেরা নিয়ে ঘুরপাক সারাদিন খেয়ে দালালি, জিম্মি বাণিজ্য ও মাদক ব্যাবসা করে থাকে।

(২য় পর্ব)

Share.

About Author

Leave A Reply