বরিশালের রিসাইকল কারখানায় কথিত দুর্ঘটনায় আহত তরুনীর গোপন চিকিৎসা (!)

0

কাশীপুরের রিসাইকল কারখানায় কথিত দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তরুনীর গোপনে চিকিৎসা (!)

স্টাফ রিপোর্টার ** বরিশালের ২৯ নং ওয়ার্ডের বাঘিয়া ঝাউতলায় অবস্থিত এ,আর,টি পেট রিসাইকেলিং একটি অবৈধ ফ্যাক্টরিতে রহস্যজনক এক কথিত দুর্ঘটনার কথা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নগরীর হাটখোলার কামাল হাওলাদার এর মেয়ে প্রিয়া আক্তার (১৯) গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের মত কাজে গেলে কাজ শেষের দিকে রাতে ওই ফ্যাক্টরির ভেতরেই কিছু শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাকে( প্রিয়া) ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তি ও চিৎকার করলে ক্ষুব্ধ লম্পট শ্রমিকরা নারী শ্রমিককে মুখ বন্ধ করতে কাটার মেশিনে ভয় দেখাতে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। এরপর বিষয়টি সামাল দিতে নাসিমা ও তার স্বামী আনোয়ার হোসেন (একই ফ্যাক্টরির শ্রমিক) সবাইকে প্রচার করে এটি আত্মহত্যা চেষ্টা, এবং পরে নিছকই দুর্ঘটনা। এরপর থেকে কারখানার ভাড়াটে মালিক দুজন সোহেল ও কবির ওরফে গাজা কবির প্রিয়ার গোপনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা শুরু করে। এবং মামলা এড়াতে পরিবারকে কোন অভিযোগ না করার পরামর্শ দেয়। এ অবস্থায় প্রিয়ার মা বলেন ” মালিক পক্ষ আমাদের মেয়ের চিকিৎসা চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন অভিযোগ করিনি। ”
রহস্যজনক দুর্ঘটনা সমন্ধে অবৈধ ফাক্টরির ভাড়াটে মালিক দুজনই বলেন ” এটা দুর্ঘটনা, আমরা চিকিৎসা চালাচ্ছি ”
সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন ” আমরা এ বিষয়টা সাধারনভাবে শুধু দেখছিনা। আমরা বিষয়টি গুরত্ব সহকারে অনুসন্ধান করছি ”

উল্লেখ যে, এ আর টি পেট রিসাইকেল ফ্যাক্টরি কাশীপুর আবাসিক অঞ্চলে অবৈধভাবে বেশ কয়েক বছর ধরে সকল নিয়ম কানুন ভেঙ্গেই চলে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের যে সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন, তা এ ফ্যাক্টরির মালিক জোগাড় করতে না পারলেও ম্যানেজ করেই চলেছিল ওই ফ্যাক্টরি। আবার শ্রম আইন ভঙ্গ ও কোন ধরনের নিরাপত্তা না নিয়েই চলছিল। অভিযোগ রয়েছে এই ফ্যাক্টরি তাদের শ্রমিকদের বেতন হজম করা, নারী ও শিশুদের নির্যাতন এবং শ্রম আইন, পরিবেশ আইন কোনভাবেই মানতেন না।

Share.

About Author

Leave A Reply