সরকারি ধান ক্রয়ে অনিয়মের ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তার কারাদণ্ড।

0

সরকারি ধান ক্রয়ে অনিয়মের ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তার কারাদণ্ড।

অনলাইন ডেস্ক★★ বরগুনার আমতলীতে সরকারি ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ক্রয়কৃত ১৯৫ বস্তা ধান জব্দ করা হয়েছে।

এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উপ-খাদ্য পরিদর্শক অঞ্জন কুমার ডাকুয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ধান সরবরাহকারী ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইউএনও মনিরা পারভীন খাদ্য গুদামে এ অভিযান চালান।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলায় কৃষকের নিকট থেকে সরকারিভাবে এ বছর ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে ২ হাজার ৯১ টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। খাদ্য বিভাগের লোকজন ওই ধান কৃষকের নিকট থেকে না কিনে একশ্রেণির দালালের মাধ্যমে নিম্নমানের ধান ক্রয় করেছেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এ খবর পেয়ে টিএন্ডটি সড়কে অবস্থিত খাদ্য গুদামে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি অবৈধভাবে ধান সরবরাহকারী ফেরদৌসের নিকট থেকে ১৯৫ বস্তা ধান ক্রয়ের সত্যতা পান।

ফেরদৌস আমতলীর উত্তর টিয়াখালী গ্রামের ৫ জন কৃষকের কার্ড সংগ্রহ করে ওই কার্ডের অনুকূলে খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহের জন্য গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার মেসার্স দীপ্ত এন্টারপ্রাইজের মালিক সুনিল সমদ্দারের আড়ৎ থেকে ধান ক্রয় করে ট্রাকযোগে আমতলী এনে খাদ্য গুদামে সরবরাহ করেন।

এ ছাড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. শফিকুল ইসলাম এবং ওসিএলএসডি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করেন।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা ওসিএলএসডি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডলকে বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আমতলী থানার ওসি আবুল বাশার জানান, জব্দ করা ধান পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন জানান, কৃষকের নিকট থেকে ধান না কিনে খাদ্য বিভাগের লোকজন দালালের মাধ্যমে নিম্নমানের ধান ক্রয় করে খাদ্য গুমামে মজুদ করার খবর পেয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত ধান পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ধান পরবর্তী সময়ে নিলামে বিক্রি করা হবে।

Share.

About Author

Leave A Reply