মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতারণা পেশার জন্য সেই কালুকে ডিভোর্স দিল রোকেয়া ।

0

মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতারণা পেশার জন্য কালুকে ডিভোর্স দিল রোকেয়া ।

স্টাফ রিপোর্টার★★ মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতারণা পেশার জন্য কালুকে ডিভোর্স দিল রোকেয়া । সম্প্রতি মাদক ব্যবসায়ী ও চিন্হিত প্রতারক সামিমুল ইসলাম ওরফে সাইমুন কালু কে ২৮ জানুয়ারি বাচ্চু হাওলাদার এর মেয়ে রোকেয়া তালাক দেন। তালাকের কারন হিসেবে শারীরিক নির্যাতনের কথা বলেন তিনি। ৯ জানুয়ারি ২০১৪ সালে রোকেয়াকে বিয়ে করে কালু। বিয়ের পর থেকেই শারিরীক নির্যাতন করে আসছিল কালু। এর সাথে সাথে বিভিন্ন মাদক কারবারিদের সাথে চরাফেরা, লেনদেন ও প্রতারণার বাণিজ্যও করতেন তিনি। এমনই অভিযোগ করেন রোকেয়া। এর প্রমাণ সরূপ গায়ের বিভিন্নস্থানে কাটা, ছেড়ার দাগও দেখান রোকেয়া।
অনুসন্ধান বলছে, ব্ল্যাকে টিকিট বিক্রেতা-দেহ ব্যবসায়ীদের নারী সাপ্লাই, মাদক বাণিজ্য করে এখন কোটিপতি হয়ে বনে গিয়াছে কালু। এমনটাই অভিযোগ কালু ওরফে সাইমুনের বিরুদ্ধে ।বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ইসরাত জাহান রুপা জানিয়েছেন,তার থেকে পার্টনারশিপ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করার প্রলোভন দেখিয়ে দেড় কোটি টাকা ষ্ট্যাম্পে চুক্তি সই করে দেয়া হলে, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করেছে কালু। এবং এখন আত্মগোপন চলে গেছেন। এ ববিষয়ে তিনি একাধিক স্ট্যাম্প ও একটি ভিডিও ক্লিপস্ ও দেখান সাংবাদিকদের।
জানা গেছে, কখনও র্যাবের সোর্স, কখনও সরকারি চাকুরী দেবে বলে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা এখন কালু।
হঠাৎ গোমর ফাঁস হওয়ায় আত্মগোপনে গিয়ে র্যাব ও পুলিশ এবং কথিত সাংবাদিকের ভয় দেখিয়ে লাপাত্তা সাইমুন আহমেদ কালু।
এ আত্মসাৎ ঘটনায় সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রুপা বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগসূত্রে জানা গেছে সাবেক কাউন্সিলর ইসরাত রুপার সাথে প্রতারক ও দালাল অভিযুক্ত কালু ওরফে সাইমুনের লেনদেন ছিল। এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অবনতি ঘটলে কালু সব মিলে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ এর পায়তারা করে এবং পালিয়ে যায়। পুলিশ তাকে খুঁজছে বলে জানা গেছে।
আরেকটি অভিযোগ সূত্রমতে কালু দীর্ঘদিন ধরে বরিশালে মাদক ও নারীদের দিয়ে দেহ ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছিল। যার সুবাদে শহরের বেশ কিছু টপ মাদক কারবারি ও নারী লোভীদের শেল্টার পায় কালু। এবং তাদের মাধ্যমেই চাকুরী দেয়া,তদবির করার কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় কালুু।

বরিশাল কলেজের ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করেন কালু একজন চিন্হিত দালাল ও প্রতারক। সে কোন ছাত্র না এবং ছাত্র রাজনীতি করেনও না।

বিষয়টি নিয়ে বিএনপি নেত্রী এ্যাডভোকেট শিরিনকে জানতে চাইলে তিনি বলেন ” বিষয়টি জানা নেই, খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে কোন দালাল, প্রতারক, মাদক ব্যাবসায়ী কোন কর্মী হতে পারেনা
তার সদ্য ডিভোর্সি স্ত্রী রোকেয়া আক্তার বলেন’ তার ( কালুর) কোন নির্দিষ্ট বৈধ আয়ের উৎস নাই।সে একজন প্রতারক ও মাদক কারবারি। সাবেক কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজনের সাথে এ ব্যবসা করে ‘
অভিযুক্ত কালু মাদকের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করলেও লাখ লাখ টাকার লেনদেনের কথা স্বীকার করেন।

Share.

About Author

Leave A Reply