ভোলার সেই লোকমানের ঘুষের কল রেকর্ড এবার দুদকে ।

0

ভোলার সেই লোকমানের ঘুষের কল রেকর্ড এবার দুদকে ।

বরিশাল ব্যুরো || বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী মনির হোসেন লোকমানের (৪৪) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাসের পর মাস লাগাতার ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও, ছবি রেখে বিয়ে না করে প্রতারণার অভিযোগের পর এবার ঘুষ লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হল দুদকে। সালমা বেগম ঘুষ লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে লোকমানের দুই লাখ টাকার বিনিময়ে নিজ্ব জেলায় চাকুরিতে টিকে থাকার স্বীকারোক্তি সহ কল রেকর্ডও দিয়েছে দুদকে।

বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী মনির হোসেন লোকমানের (৪৪) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাসের পর মাস লাগাতার ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও, ছবি রেখে বিয়ে না করে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেও কোন কুল-কিনারা পাচ্ছেনা ভুক্তভোগী সালমা বেগম। অথচ সেই বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাচন অফিসের একই পদে বহাল তবিয়তে আছেন অভিযুক্ত সেই মনির হোসেন লোকমান। লোকমানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ভোলায় এ বিষয় একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। ( মামলা নং ১১৫/২০২০) এরপর আজ দুদকে লিখিত অভিযোগের কথা জানান সালমা বেগম।

এ ব্যাপারে চরফ্যাশন পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জালাল মাষ্টারের পুত্র অভিযুক্ত মনির হোসেন ওরফে লোকমান বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলেন, তার সঙ্গে আমার কিছুদিন আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর বাইরে আর কিছু না। তাকে আমি বিবাহ করিনি, সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। অশ্লীল ভিডিও ও ছবির ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তাও অস্বীকার করেন লোকমান।

তবে দুদকে অভিযোগের বিষয় কোন মন্তব্য করেননি লোকমান।

এ নিয়ে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আলাউদ্দিন আল মামুন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে বলেছেন ‘ বিষয়টি নিয়ে আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছিলাম। এছাড়াও মোবাইলে ভোলার পুলিশ সুপার আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন । বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে আদালতে শুনেছি মামলা হয়েছে। ‘
যদিও এখনও দৃশ্যমান কোন বিচার না হলেও একইস্থানে কর্মরত আছেন ওই অভিযুক্ত লোকমান। আর কি কারনে লোকমান বহাল তবিয়তে রয়েছেন তাও এড়িয়ে যান তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তিক চন্দ্র বিশ্বাস জানান ‘ তদন্ত শেষ নাকি শুরুই হয়নি কোন বিষয়ই আমি মন্তব্য করবোনা। এটা গোপন বিষয়। ‘ অথচ , তদন্ত রিপোর্টে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র।

অভিযোগকারী সালমা বেগম বলেন ‘ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। যেহেতু ডাক যোগাযোগ বন্ধ, তাই শুধু ইমেইলেই দিয়েছি। তারসাথে একটি অডিও রেকর্ড দিয়েছি প্রমাণ হিসেবে। কল রেকর্ডের বর্ণনাতে লোকমান দুই লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে নজ্ব জেলায় চাকুরির কথা স্বীকার করেন। বাকিটা তদন্তে বেড়িয়ে আসবে। লোকমান মোটা অংক খরচ করে একই অফিসে স্বপদে বহাল আছে। এর প্রমাণও আছে আমার কাছে। বেশ কিছু রেকর্ডিং এর মাষ্টার কপি আমি সাংবাদিকদের দিয়েছি। আমি টাকার আপোষ চাইনা। আমি আমার মর্যাদা চাই।
দুদকের কপি ভোলা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের দেয়া হয়েছে। ‘

Share.

About Author

Leave A Reply