নৈশ প্রহরী জামালের খুঁটির জোর কোথায় ?

0

নৈশ প্রহরী জামালের খুঁটির জোর কোথায় ?

নাগরিক ডেস্ক ★★ বরিশাল সি,এস,ডির নৈশ প্রহরী জামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর অনৈতিক কর্মকান্ডে সি,এস,ডি অফিসের কর্মকতা ও কর্মচারীরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। সি,এস,ডি অফিসের ভুক্তভোগী কর্মকতা কর্মচারীরা অভিযোগ করে বলেন, জামাল বরিশাল সি,এস,ডি অফিসের নৈশ প্রহরী হিসাবে যোগদান করেন। এরপর নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। কর্মকতা ও কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, তাঁদের নামে থাকা পুকুর লিজ দিয়ে টাকা আত্মসাত করে অন্য কর্মচারীদের হয়রানি করা তাঁর কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নৈশ প্রহরী প্রদীপ কুমার প্রতিবাদ করায় তাঁকেও কৌশলে চাকরী ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করিয়েছেন জামালগ্রুপ। জামালের বাড়ি বাকেরগঞ্জ হওয়ায় এবং তারা সাথে কিছু লোভী কর্মকতা থাকায় সে কাউকে তোয়াক্কা করে না।

গোপন সূত্রে জানাযায়, জামালের সাথে কিছু চৌখশ কর্মকর্তা তাল মিলিয়ে অপরাধ জগতের রাজত্ব কায়েম করছে। এমনি এক সি,এস, ডি কর্মকর্তা তামান্নার নাম প্রকাশে চলে আসছে। সি,এস,ডি তামান্না নৈম প্রহারী জামালের সাথে বাইকে করে ডিউটির সময় ঘুরে বেড়ায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে তামান্না প্রতিনিধিকে বলেন, আমি নৈশ প্রহারী জামালের সাথে ঘুরি হাতাতে আমার স্বামীর কোন অভিযোগ নেই। আর আমার চাকরী করতে হলে জামালের সাথে মিলে কাজ করতে হবে। তবে তার স্বামীর সাথে এখনো কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, যোগাযোগের চেস্টা চলছে। নৈশ প্রহারীর জামালের সাথে তার এমন গভীরতাকে অন্য অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা কুদৃষ্টিতে দেখছেন।

তারা বলেন, নৈশ প্রহারী জামাল ও সি,এস,ডি তামান্না ঠিক মতো অফিসও করে না এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলার সাহস পায় না। কারন জামালের আছে এলাকায় সন্ত্রাসীবাহীনি তার সাথে কিছু হলেই অফিসের সামনে ওই সন্ত্রাসীবাহীনি এসে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অপমান করে। তাদের কারনে অনেক কর্মকতা ও কর্মচারীদের অপমান অপদস্থ হয়েও মূখ বুজে চাকরি করতে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধান কালে জানাযায়, জামাল তার ব্যাক্তিগত লোকদের নিয়ে অবৈধ কমিটি করে। ওই অবৈধ কমিটির সভাপতি জামাল। কমিটির বিষয় জানেনা, অফিস কতৃপক্ষ আয়সা খাতুন। আরো জানাযায়, অবৈধ কমিটির বিষয় জানতে অফিসে যায় এক সংবাদকর্মী তাকে জামাল অপমান জনক কথা বলে এবং বাহির থেকে তার সন্ত্রাসীবাহীিন খবর দিয়ে সংবাদকর্মীকে মারার জন্য নিয়ে আসেন। তবে ওই সংবাদকর্মীর যোগাযোগ পাওয়া যায়নি। সংবাদকর্মীকে পেলে ওই সকল সন্ত্রাসীবাহীিনির পরিচয় পাওয়া যাবে। অনুসন্ধান কালে আরো জানাযায়, অসাধু কিছু কর্মকতা ও কর্মচারিরা তার সাথে থেকে অপরাধ জগত কায়েম করছেন। এমন অভিযোগের বিষয় আর সি ফুট মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করিলেও তাকে নিউজ লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

Share.

About Author

Leave A Reply