ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী ও বহিস্কৃত সেই রাসেলের হামলায় আহত যুবলীগ নেতা।

0

ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী ও বহিস্কৃত সেই রাসেলের হামলায় আহত যুবলীগ নেতা।

নাগরিক ডেস্ক || বরিশাল সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের কাগাশুড়া এলাকায় ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগমের ভাই আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশকারীদের একজন এবং বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা রাসেল মুন্সি কতৃক আক্তার শরিফের ছেলে ও যুবলীগ নেতা সোহেল রানার (রানা শরিফ)এর উপর রাতের আধারে হামালা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সন্ত্রাসী হামলায় আহত যুবলীগ নেতা রানা শরিফ জানান, আমার একটি এন.জি.ও (সাবলম্বি সঞ্চয় ও ঋণ দান সমন্বয় সমিতি লি:) আছে। যেটি চালাতে হলে রাসেলকে নিয়মিত চাঁদা দিতে হবে। নয়তো এনজিও চলতে পারবেনা বলে রাসেল আমাকে প্রায় হুমকি দিয়ে আসছিলো।
আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে কাগাশুরা হাইস্কুল সংলগ্ন বাজারের সামনে আমাকে একা পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগমের ভাই রাসেল মুন্সির নেতৃত্বে অপর দুই ভাই মনির মুন্সি, কালাম মুন্সি ও তাদের চাচাতো ভাই মিলন মুন্সির ছেলে রাফি সহ আরে অজ্ঞাত ১৫/২০জনের একটি সন্ত্রাসী বাহীনি আমার উপর অতর্কিত ভাবে রড, হাতুর ও লাঠিসোটা দিয়ে আমার উপর হামলা করে পালিয়ে যায়। রাতের আধারের কারনে আমি সবাইকে ভালো ভাবে চিনতে পারিনি। আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত রানা শরিফ জানান, মৃত গনী হাওলাদারের ছেলে রাসেল হাওলাদার তার বোন রেহেনা বেগম ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই এলাকায় দখল, সন্ত্রাস, ও চাদাঁবাজীতে জড়িয়ে পরছে। যদিও এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ভয়ে মুখ খুলতে চায়না।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রাসেল মাদক সেবন ও ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জড়িয়ে আছে। সূত্রটি আরো জানায়, রাসেলের সহযোগী কাজী রেজা’কে রাসেলের মটরসাইকেল সহ মাস খানেক পূর্বে কাউনিয়া থানা পুলিশ ইয়াবা সহ আটক করেন। যদিও এখনো ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়ে গেছে সন্ত্রাসী রাসেল হাওলাদার।
অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য রাসেল হাওলাদার এর নম্বরে একাধিকক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

Share.

About Author

Leave A Reply